উইথড্রয়াল করতে হলে: লগইন করুন → "উইথড্রয়াল" বা "টাকা তুলুন" অপশনে যান → পরিমাণ ও পেমেন্ট পদ্ধতি বেছে নিন → নিশ্চিত করুন। সর্বনিম্ন উইথড্রয়াল পরিমাণ ৳২০০ এবং সর্বোচ্চ একসাথে ৳৫০,০০০ পর্যন্ত তোলা যায়।
KYC যাচাই না করা থাকলে প্রথম উইথড্রয়ালে একটু বেশি সময় লাগতে পারে — জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ছবি জমা দিলে সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়। যাচাই হয়ে গেলে পরবর্তী সব উইথড্রয়াল দ্রুততম সময়ে হবে। উইথড্রয়াল স্ট্যাটাস "অ্যাকাউন্ট" বিভাগে সবসময় দেখা যায়।
১৫ মিনিটের বেশি সময় পার হলে প্রথমে বিকাশ/নগদ অ্যাপে দেখুন পেমেন্ট সফল হয়েছে কিনা। যদি বিকাশ থেকে কনফার্মেশন SMS এসে থাকে কিন্তু Newpk APK ব্যালেন্সে না আসে — তাহলে লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করুন।
যোগাযোগের সময় এই তথ্যগুলো সাথে রাখুন: বিকাশ/নগদ নম্বর থেকে ডিপোজিটের সময়, পরিমাণ এবং ট্রানজ্যাকশন ID। সাপোর্ট টিম সাধারণত ১০ মিনিটের মধ্যে ম্যানুয়ালি ব্যালেন্স আপডেট করে দিতে পারে। ডিপোজিট সম্পূর্ণ ব্যর্থ হলে টাকা নিজের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে ফেরত আসে — সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
দৈনিক লগইন বোনাস: প্রতিদিন Newpk APK-তে লগইন করলে অ্যাকাউন্টে একটি ছোট পুরস্কার জমা হয়। পুরস্কারের পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ে — টানা ৭ দিন লগইন করলে সপ্তম দিনে সবচেয়ে বড় পুরস্কার। লগইনের পর হোমপেজে "দৈনিক চেক-ইন" বা "Daily Login" অপশনে ক্লিক করলেই পুরস্কার দাবি করা যাবে।
ফ্রি স্পিন: স্লট প্রমোশন বা টুর্নামেন্টের সময় নির্দিষ্ট গেমে ফ্রি স্পিন দেওয়া হয়। বোনাস পাতায় চলমান অফার দেখলেই জানা যাবে কোন গেমে কতটি ফ্রি স্পিন পাওয়া যাচ্ছে এবং শর্ত কী। ফ্রি স্পিন থেকে জেতা অর্থ সাধারণত বোনাস ব্যালেন্সে জমা হয় — নির্দিষ্ট ওয়েজারিং পূরণ হলে মূল ব্যালেন্সে আসে।
বোনাসের পরিমাণ: প্রথম ডিপোজিটের ১৫০%, সর্বোচ্চ ৳১৫,০০০ পর্যন্ত। অর্থাৎ ৳১,০০০ দিলে ৳১,৫০০ বোনাস পাবেন — মোট ব্যালেন্স হবে ৳২,৫০০। সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে ৳১০,০০০ দিলে ৳১৫,০০০ বোনাস পাবেন।
বোনাস ব্যবহারের শর্ত: বোনাসের অর্থ সরাসরি উইথড্রয়াল করা যাবে না — প্রথমে ১০ গুণ ওয়েজারিং করতে হবে। ৳১,৫০০ বোনাস পেলে ৳১৫,০০০ বেটিং ভলিউম তৈরি করতে হবে। নিবন্ধনের ৩০ দিনের মধ্যে বোনাস ব্যবহার না করলে মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। বিস্তারিত শর্ত বোনাস পাতায় দেখুন।
কেউ যদি বোনাসের সুবিধা নিতে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করেন — সিস্টেম ধরতে পারলে উভয় অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে এবং ব্যালেন্স বাজেয়াপ্ত হতে পারে। একই পরিবারের দুইজন সদস্য আলাদা মোবাইল ও আলাদা পরিচয়পত্রে আলাদা অ্যাকাউন্ট রাখতে পারবেন, কিন্তু তাও একই ডিভাইস থেকে ব্যবহার করা উচিত নয় — সন্দেহ হলে যাচাইয়ে পড়তে হতে পারে।
পুরনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারলে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট না খুলে সাপোর্টের সাহায্য নিন — পুরনো অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করা সহজ।
ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবল, টেনিস ও বাস্কেটবলের লাইভ স্ট্যাটিস্টিক্সও পাওয়া যায়। লাইভ বেটিং করার সময় স্কোরবোর্ড ও অডস পাশাপাশি দেখা যায় — বেটিং সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
কিছু নির্বাচিত ম্যাচে ভিডিও স্ট্রিমিংও পাওয়া যায় — এর জন্য অ্যাকাউন্টে সক্রিয় ব্যালেন্স থাকতে হয়। স্ট্রিমিং পাওয়া যাচ্ছে কিনা সেটা ম্যাচ কার্ডে "লাইভ স্ট্রিম" আইকন দেখে বুঝতে পারবেন। ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বল হলে স্কোর আপডেটে সামান্য দেরি হতে পারে।
১. পুরো নাম — সত্যিকারের নাম দিন, পরে KYC যাচাইয়ে মিলবে।
২. বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর — 01XXXXXXXXX ফরম্যাটে, যেখানে OTP আসবে।
৩. জন্মতারিখ — ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক।
৪. পাসওয়ার্ড — কমপক্ষে ৮ অক্ষরের, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন।
নিবন্ধনের সময় কোনো ডকুমেন্ট লাগে না। তবে প্রথম বড় উইথড্রয়ালের আগে KYC যাচাই করতে হয় — তখন জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ছবি জমা দিতে হবে। KYC সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয় এবং যাচাই হলে উইথড্রয়াল আরও দ্রুততর হয়। নিবন্ধন প্রক্রিয়া মোবাইল বা কম্পিউটার — উভয় থেকেই করা যায়।